
মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে গবেষণা হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা একজন সচেতন বন্ধুর সঙ্গে প্রেক্ষাপট ভাগ করার মতো।

মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে গবেষণা ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
বাংলাদেশে মোবাইল টাওয়ার থেকে নিঃসৃত বিকিরণের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তুঙ্গে। এ প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর মাধ্যমে একটি গবেষণা প্রকল্প পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে বিকিরণের মাত্রা ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরূপণ করা হবে। বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসানের প্রতিবেদনে বিকিরণ কমানোর সুপারিশ ও গবেষণার প্রস্তাব ছিল, যা আদালত গুরুত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) ছয় মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানি হবে।
তথ্য
- হাইকোর্ট বুয়েটের মাধ্যমে মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে গবেষণা করার নির্দেশ দিয়েছে।
- বিটিআরসিকে ছয় মাসের মধ্যে গবেষণা প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসান ২০২৪ সালে বিকিরণ কমানোর সুপারিশ ও গবেষণার প্রস্তাব দেন।
- ২০১২ সালে জনস্বার্থে মামলা করা হয়, ২০১৯ সালে হাইকোর্ট প্রাথমিক রায় দেয়।
- ঘনবসতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও উপাসনালয়ে মোবাইল টাওয়ার স্থাপন নিয়ে নজরদারি চাওয়া হয়েছে।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





