
এআই তৈরি কনটেন্ট চেনা এখন মানুষের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। যারা ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য ভাগ করেন, তাদের সঙ্গে এটি শেয়ার করা যায়।

ডিপফেক চেনা এখন কয়েন টসের মতো ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
সাম্প্রতিক গবেষণা অনুসারে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ডিপফেক কনটেন্ট চেনা মানুষের জন্য ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ এআই তৈরি ছবি বা ভিডিও চেনার ক্ষমতায় এখন মাত্র ৫১% সঠিক। এটি একটি কয়েন টসের সমান অনিশ্চয়তা। ডিপফেক এখন শুধু প্রযুক্তির বিষয় নয়, রাজনৈতিক অপপ্রচার, আর্থিক প্রতারণা এবং সম্মতিহীন যৌন হেনস্তার মতো গুরুতর সামাজিক সমস্যার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনে জো বাইডেনের কণ্ঠে জাল রোবোকল থেকে শুরু করে বিখ্যাত ব্যক্তিদের আপত্তিকর ছবি তৈরি পর্যন্ত ডিপফেক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৭ সালের মধ্যে এর আর্থিক ক্ষতি হবে ৪০ বিলিয়ন ডলার। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ছবি বিকৃতির মাধ্যমে সামাজিক মর্যাদাহানি হচ্ছে বিশ্বব্যাপী অসংখ্য মানুষের।
প্রযুক্তি দিয়ে প্রযুক্তি ঠেকানোর পাশাপাশি গবেষকরা এখন মানুষের মনকে প্রস্তুত করার উপর নজর দিচ্ছেন। একে বলা হয় 'মনস্তাত্ত্বিক টিকা'। মাত্র পাঁচ মিনিটের প্রশিক্ষণ বা সতর্কবার্তা মানুষের সচেতনতা বাড়াতে পারে। গুগল ডিপমাইন্ড ও মেটার মতো প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ওয়াটারমার্কিং নিয়ে কাজ করছে। ব্যবহারকারীদের জন্য Hive AI Detector বা DeepFake-o-Meter-এর মতো ফ্রি টুলও উপলব্ধ।
তথ্য
- ইউনিভার্সিটি অব আইওয়ার গবেষণা অনুসারে, মানুষ এআই তৈরি কনটেন্ট চেনার ক্ষমতায় মাত্র ৫১% সঠিক।
- ২০২৭ সালের মধ্যে ডিপফেক জালিয়াতির আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আনুমানিক।
- মাত্র পাঁচ মিনিটের প্রশিক্ষণ মানুষের ডিপফেক চেনার সচেতনতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- গুগল ডিপমাইন্ড ও মেটা ডিজিটাল ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।
- Hive AI Detector ও DeepFake-o-Meter ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি ডিপফেক ডিটেকশন টুল।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





