
প্রযুক্তির প্রভাবে চাকরির বাজারে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। যারা শিক্ষা ও ভবিষ্যত প্রসঙ্গ অনুসরণ করছেন, তাদের সঙ্গে এটি ভাগ করে নেওয়া যায়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ৫৬ লাখ চাকরি হারানোর আশঙ্কা ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কারণে প্রায় ৫৬ লাখ কর্মসংস্থান হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেছেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো এবং এই মন্তব্য করেন বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত একটি সংলাপ অনুষ্ঠানে। তাঁর মতে, প্রযুক্তির প্রভাবে নতুন প্রায় ৫০ লাখ চাকরি সৃষ্টি হতে পারে, কিন্তু দেশের তরুণ প্রজন্ম সেই কাজের জন্য প্রস্তুত কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ রয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষার মান নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন গবেষক ও শিক্ষাবিদরা। শুধু শিক্ষায় প্রবেশাধিকার নয়, শিক্ষার ফলাফল নিশ্চিত করা এখন প্রাধান্য পাচ্ছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা দূর করা না গেলে দেশের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও উল্লেখ করেন যে সরকার শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেয় বলে দাবি করলেও বাজেট বরাদ্দ ও তার কার্যকর ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন এবং পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি দেওয়া যথেষ্ট নয়। পরিবারের অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় আনা প্রয়োজন।
তথ্য
- ২০২৬ সালের ৭ মে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ৫৬ লাখ চাকরি হারানোর আশঙ্কার কথা বলেন।
- তিনি মনে করেন নতুন প্রযুক্তির কারণে প্রায় ৫০ লাখ নতুন চাকরি সৃষ্টি হতে পারে।
- দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো এবং অর্থনীতিবিদ।
- তিনি বলেন, শিক্ষার মান না বাড়ালে দেশের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।
- সরকার শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেয় বলে দাবি করলেও বাজেট বরাদ্দ ও ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





