
গবেষণাগার ধ্বংস হলেও বিজ্ঞানের পথ থামে না। যারা প্রযুক্তি ও আত্মনির্ভরতার গল্প অনুসরণ করছেন, তাদের সঙ্গে এটি ভাগ করে নেওয়া যায়।

ধ্বংসস্তূপ থেকে মহাকাশ গবেষণা ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
ইরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যাটেলাইট গবেষণা কেন্দ্রে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পর ভবনের অংশবিশেষ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে গবেষক ও শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দিয়েছেন যে তারা গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। এই কেন্দ্রে তৈরি হয়েছিল ‘জাফর-২’ নামের একটি দেশীয় স্যাটেলাইট, যা ইরানের মহাকাশ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
গবেষকদের মতে, হামলার লক্ষ্য ছিল শুধু ভবন নয়, বরং ইরানের বৈজ্ঞানিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করা। তবে তারা জানিয়েছেন, গবেষণা যন্ত্রপাতি বা ভবনের ওপর নির্ভর করে না, বরং মানুষের জ্ঞান ও দক্ষতার ওপর। তাই তারা ধ্বংসস্তূপ থেকেই নতুন করে গবেষণা শুরু করার প্রতিজ্ঞা করেছেন।
পশ্চিমা দেশগুলো দাবি করে আসছে যে ইরান মহাকাশ প্রযুক্তির আড়ালে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন করছে, যা তেহরান অস্বীকার করে বলে যে তাদের কর্মসূচি সম্পূর্ণ বেসামরিক ও বৈজ্ঞানিক। আন্তর্জাতিক মহলে এই হামলা শিক্ষা ও গবেষণা অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
তথ্য
- ২০২৬ এর মে মাসে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যাটেলাইট গবেষণা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- গবেষণা কেন্দ্র থেকে আগেই ‘জাফর-২’ নামের একটি দেশীয় স্যাটেলাইট তৈরি করা হয়েছিল।
- ইরানি গবেষকরা হামলার পর পুনর্গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন এবং গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন।
- পশ্চিমা দেশগুলো অভিযোগ করে যে ইরান মহাকাশ প্রযুক্তির আড়ালে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন করছে।
- ইরান দাবি করে তাদের মহাকাশ কর্মসূচি সম্পূর্ণ বেসামরিক ও বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





