অ্যাপলের নতুন সিইও জন টার্নাস এবং অ্যাপল পার্ক ক্যাম্পাসের ছবি সহ একটি ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি প্রকল্পের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
অ্যাপলের নতুন সিইও জন টার্নাস এবং অ্যাপল পার্ক ক্যাম্পাসের ছবি সহ একটি ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি প্রকল্পের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

অ্যাপল এখন আবার উদ্ভাবনের দিকে এগোচ্ছে। প্রযুক্তি ও ব্যবসায়ের খবর অনুসরণ করা বন্ধুদের সঙ্গে এটি ভাগ করে নেওয়া যায়।

অ্যাপল এখন আর শুধু মুনাফা নয় ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

অ্যাপলের নতুন সিইও জন টার্নাস কোম্পানিকে আবার উদ্ভাবনের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। টিম কুকের যুগে অ্যাপল বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি 'টাকা তৈরির যন্ত্র' হয়ে উঠেছিল, যেখানে ২০১২ সাল থেকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি শেয়ার পুনঃক্রয় ও লভ্যাংশ বিতরণে খরচ হয়েছে। কিন্তু টার্নাস এখন সেই টাকা গবেষণা, সাহসী প্রযুক্তি প্রকল্প এবং স্বনির্ভর সরবরাহ শৃঙ্খলে বিনিয়োগ করছেন।

এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং পরবর্তী প্রজন্মের হার্ডওয়্যারে অ্যাপলের দক্ষতা বাড়ানো। সিরি এখন আর সাধারণ ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকবে না, বরং ডিভাইসের কেন্দ্রবিন্দুতে এআই সিস্টেম হিসেবে কাজ করবে। ফোল্ডেবল আইফোন, মিক্সড রিয়েলিটি চশমা এবং নিজস্ব চিপ উৎপাদনের মতো প্রকল্পগুলো এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

টার্নাসের এই কৌশল স্বল্পমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের জন্য মুনাফা কমাতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে অ্যাপলকে স্মার্টফোন-পরবর্তী যুগে টিকিয়ে রাখার জন্য একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি করছে। তাঁর চ্যালেঞ্জ হবে উদ্ভাবন ও সরবরাহ শৃঙ্খলের ভারসাম্য রক্ষা করা।

তথ্য

  • অ্যাপলের নতুন সিইও জন টার্নাস কোম্পানিকে উদ্ভাবনের পথে ফিরিয়ে আনছেন।
  • ২০১২ সাল থেকে অ্যাপল ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি শেয়ার পুনঃক্রয় ও লভ্যাংশে খরচ করেছে।
  • টার্নাস এআই, ফোল্ডেবল আইফোন এবং মিক্সড রিয়েলিটি চশমার মতো প্রকল্পে বিনিয়োগ করছেন।
  • সিরি এখন আর সাধারণ ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকবে না, বরং গভীরভাবে সমন্বিত এআই সিস্টেম হবে।
  • টার্নাস তৃতীয় পক্ষের ওপর নির্ভরতা কমাতে নিজস্ব যন্ত্রাংশ উৎপাদনে বিনিয়োগ করবেন।
  • এই পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদে অ্যাপলকে স্মার্টফোন-পরবর্তী যুগে টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে করা হচ্ছে।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি