একটি মানুষের মস্তিষ্কে অ্যামিবা প্রবেশের কল্পনাপ্রসূত চিত্র, নীল ও লাল রঙের স্টাইলাইজড ভেক্টর আর্ট
একটি মানুষের মস্তিষ্কে অ্যামিবা প্রবেশের কল্পনাপ্রসূত চিত্র, নীল ও লাল রঙের স্টাইলাইজড ভেক্টর আর্ট

মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবার প্রাদুর্ভাব এখন সময়মতো চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে আসছে। আশেপাশে কেউ ভারত ভ্রমণ করলে বা স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন বন্ধুদের সঙ্গে নীরবে পাঠাতে পারো।

কেরালায় মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা আতঙ্ক ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

ভারতের কেরালা রাজ্যে মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা বা নিগ্লেরিয়া ফাউলেরির কারণে গত চার মাসে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘাতক অণুজীব মিষ্টি পানির উৎসে বাস করে এবং মানুষের নাকের মাধ্যমে প্রবেশ করে মস্তিষ্কে পৌঁছায়, যেখানে এটি প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিনগোএনসেফালাইটিস (PAM) নামক মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে। রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র মাথাব্যথা, জ্বর এবং বমি।

২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে কেরালায় ৯৬ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আগে এর মৃত্যুহার ছিল প্রায় ৯৯%, কিন্তু কেরালা সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগের তৎপরতায় সময়মতো চিকিৎসা ও নির্ণয়ের মাধ্যমে মৃত্যুহার এখন ২৪% এ নেমে এসেছে। এটি চিকিৎসা ব্যবস্থার কার্যকারিতার প্রমাণ, তবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এখনও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যামিবা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মিষ্টি পানিতে সাঁতারের সময় নাক বন্ধ করে রাখা বা নোজ প্লাগ ব্যবহার করা প্রয়োজন। নাক পরিষ্কারের জন্য কখনই ট্যাপ ওয়াটার ব্যবহার করা উচিত নয়; বরং ফুটানো বা ডিস্টিল্ড পানি ব্যবহার করা নিরাপদ। পুকুর বা হ্রদে স্নানের পর যদি জ্বর বা মাথাব্যথা হয়, তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসককে জানানো এবং ভ্রমণের ইতিহাস দেওয়া অপরিহার্য।

তথ্য

  • ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে কেরালায় মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
  • ২০২৬ এর প্রথম চার মাসে ৯৬ জন নিগ্লেরিয়া ফাউলেরিতে আক্রান্ত হন।
  • কেরালা সরকারের চেষ্টায় মৃত্যুহার ৯৯% থেকে কমে ২৪% এ নেমে এসেছে।
  • অ্যামিবা মিষ্টি পানি থেকে নাকের মাধ্যমে মস্তিষ্কে প্রবেশ করে।
  • নাক পরিষ্কারের জন্য কখনই ট্যাপ ওয়াটার ব্যবহার করা উচিত নয়।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি