
সোশ্যাল মিডিয়ায় ডায়েট কনটেন্টের প্রভাব স্পষ্ট, এই বিষয়টি নজরে রাখা কোনো সহকর্মী বা বন্ধুর জন্য প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট হতে পারে।

টিকটকে ছড়াচ্ছে বিষাক্ত ডায়েট সংস্কৃতি ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে টিকটক, তরুণদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর ডায়েট সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে বলে সতর্ক করেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা। ইউনিভার্সিটি অব ভারমন্টের গবেষকদের মতে, ওজন কমানো ও ‘ফিট’ শরীর গঠনের নামে প্রচারিত ভিডিওগুলো মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এসব কনটেন্টে প্রায়শই নিবন্ধিত পুষ্টিবিদদের চেয়ে অ-বিশেষজ্ঞ ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রভাব বেশি।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালে মহামারির সময় থেকে টিকটকের জনপ্রিয়তা বাড়ে এবং ১৫–২৫ বছর বয়সীদের মধ্যে এর ব্যবহার ১৮০% বৃদ্ধি পায়। এই প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বেশি দেখা হয় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সংক্রান্ত কনটেন্ট, যেগুলো প্রায়ই নৈতিক ও সরলীকৃত ভাবে উপস্থাপন করা হয়। এর ফলে মানুষ দ্রুত এগুলো গ্রহণ করে নেয়।
পুষ্টিবিদ রেবেকা হ্যামব্রাইটের মতে, ছোট ভিডিওর মাধ্যমে জটিল স্বাস্থ্য বার্তা অতিরিক্ত সরলীকৃত হয়, যা ভুল ধারণা তৈরি করে। গবেষক অধ্যাপক লিজি পোপ বলেছেন, সাধারণ মানুষ নিজেদের ওজন কমানোর গল্প শেয়ার করে অন্যদের আকর্ষণ করছেন, কিন্তু এগুলো বাস্তবসম্মত নয়। গবেষণায় সুপারিশ করা হয়েছে এ ধরনের কনটেন্ট এড়িয়ে চলার।
তথ্য
- ইউনিভার্সিটি অব ভারমন্টের গবেষণায় বলা হয়েছে, টিকটকের ডায়েট কনটেন্ট তরুণদের মধ্যে বিষাক্ত ডায়েট সংস্কৃতি ছড়াচ্ছে।
- ২০২০ সালে মহামারির সময় টিকটকের ব্যবহার ১৫–২৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৮০% বেড়েছে।
- গবেষক লিজি পোপ বলেছেন, অসংখ্য সাধারণ মানুষ দাবি করছেন সহজে ১৫ পাউন্ড ওজন কমিয়েছেন, যা দর্শকদের আকর্ষণ করে।
- পুষ্টিবিদ রেবেকা হ্যামব্রাইট বলেছেন, টিকটকের ছোট ভিডিও স্বাস্থ্য বার্তাকে অতিরিক্ত সরলীকৃত করে।
- গবেষণায় সুপারিশ করা হয়েছে, ক্ষতিকর ডায়েট কনটেন্ট এড়িয়ে চলা।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





