
বিজ্ঞান গ্রাজুয়েটদের চাকরির প্রবণতা পরিষ্কার করে, একজন শিক্ষার্থী বা শিক্ষকের সঙ্গে প্রেক্ষাপট ভাগ করা যেতে পারে।

প্রযুক্তি খাতে মেধার সংকট ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে মেধার সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষাবিদ ও গবেষকেরা। তাদের মতে, ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষানীতি এবং গবেষণার সুযোগের অভাবে বিজ্ঞান গ্রাজুয়েটরা ডিগ্রি পাওয়ার পর বিজ্ঞানসংশ্লিষ্ট ক্যারিয়ার ছেড়ে অ-বিজ্ঞান চাকরিতে চলে যাচ্ছেন। এতে করে শিক্ষা ব্যবস্থা ডিগ্রিধারী তৈরি করলেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল ধরে রাখতে পারছে না।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে এই সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন যে বর্তমান পাঠ্যক্রম মূলত তাত্ত্বিক এবং পাঠ্যবই-কেন্দ্রিক, যেখানে ব্যবহারিক দক্ষতা গঠনের সুযোগ সীমিত। অনেক শিক্ষার্থী নামমাত্র ল্যাব সুবিধা নিয়ে ডিগ্রি শেষ করছেন। স্নাতক পর্যায়ে মেন্টরশিপ বা গবেষণার সুযোগও নেই।
সরকার প্রতি শিক্ষার্থীর পেছনে বছরে ৮৭ হাজার থেকে ২ লাখ ৩ হাজার টাকা ব্যয় করলেও গবেষণাগার ও নীতির অভাবে বিনিয়োগের ফল মেলছে না। বক্তারা পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন, ল্যাব সুবিধা বৃদ্ধি, গবেষণায় তহবিল এবং বিজ্ঞান গ্রাজুয়েটদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন।
তথ্য
- শিক্ষাবিদদের মতে, ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষানীতি ও গবেষণার অভাবে প্রযুক্তি খাতে মেধার সংকট তৈরি হচ্ছে।
- বিজ্ঞান গ্রাজুয়েটরা ডিগ্রি পাওয়ার পর অ-বিজ্ঞান চাকরিতে চলে যাচ্ছেন।
- বর্তমান পাঠ্যক্রম তাত্ত্বিক ও পাঠ্যবই-কেন্দ্রিক, ব্যবহারিক দক্ষতার অভাব রয়েছে।
- প্রতি শিক্ষার্থীর পেছনে সরকার বছরে ৮৭ হাজার থেকে ২ লাখ ৩ হাজার টাকা ব্যয় করছে।
- সেমিনারটি ২০২৬ সালের ১৯ মে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
- বক্তারা পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন, ল্যাব সুবিধা বৃদ্ধি এবং গবেষণায় তহবিলের আহ্বান জানিয়েছেন।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





