
মানুষের সঙ্গে কবুতরের সম্পর্ক ৩৫০০ বছরের, এই প্রাচীন বন্ধুত্বের কথা জানা একজন প্রাণীপ্রেমী বন্ধুর সঙ্গে শেয়ার করার মতো।

৩৫০০ বছর আগেই কবুতর পোষা শুরু ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, মানুষ কবুতরকে পোষা শুরু করেছিল প্রায় ৩৫০০ বছর আগে, যা আগের ধারণার চেয়ে প্রায় হাজার বছর আগের কথা। নেদারল্যান্ডসের গ্রোনিনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যান্ডারসন কার্টারের নেতৃত্বে এ গবেষণা করা হয়। সাইপ্রাসের হালা সুলতান টেক্কে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে পাওয়া ১৫৯টি প্রাচীন কবুতরের হাড় বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া যায়।
হাড়ের কোলাজেনে কার্বন ও নাইট্রোজেনের অনুপাত বিশ্লেষণে দেখা যায়, কবুতরগুলো মানুষের মতোই খাবার খেত—শস্য, ডাল বা রান্না করা খাবার। এটি প্রমাণ করে যে তারা ছিল গৃহপালিত এবং মানুষ তাদের সচেতনভাবে লালন-পালন করত। এর আগে ধারণা করা হতো, কবুতর পোষা শুরু হয়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দে, গ্রিসে পাওয়া পাথরের কাঠামো থেকে।
কবুতর একসময় ছিল বার্তাবহনের মাধ্যম, যুদ্ধক্ষেত্রে যোগাযোগ রক্ষার মাধ্যম এবং শান্তির প্রতীক। টেলিগ্রাফ ও টেলিফোনের মতো প্রযুক্তির উন্নতির পর তাদের ভূমিকা কমে যায়। শিল্পবিপ্লবের পর শহুরে কবুতরকে নোংরা ও রোগ ছড়ানোর কারণ হিসেবে দেখা হতে থাকে। আজ শহরের কার্নিশে কবুতর আটকাতে বসানো কাঁটা তাদের পতনের প্রতীক।
তথ্য
- সাইপ্রাসের হালা সুলতান টেক্কে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে পাওয়া ১৫৯টি কবুতরের হাড় বিশ্লেষণ করে গবেষকরা জানতে পারেন যে কবুতর পোষা হয়েছিল প্রায় ৩৫০০ বছর আগে।
- হাড়ের কোলাজেন বিশ্লেষণে দেখা যায়, কবুতরগুলো মানুষের মতোই খাবার খেত—শস্য, ডাল বা রান্না করা খাবার, যা তাদের গৃহপালিত হওয়ার প্রমাণ।
- আগে ধারণা করা হতো কবুতর পোষা শুরু হয়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দে, কিন্তু নতুন গবেষণা তা প্রায় হাজার বছর আগে নিয়ে যায়।
- নেদারল্যান্ডসের গ্রোনিনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যান্ডারসন কার্টার এ গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন।
- কবুতর একসময় ছিল বার্তাবহন, যুদ্ধক্ষেত্রে যোগাযোগ রক্ষা এবং শান্তির প্রতীক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





