পশ্চিমবঙ্গের একটি চিড়িয়াখানায় একটি বাঘ খাবারের জন্য অপেক্ষা করছে, পেছনে লাল মাংসের প্রতীকী ছবি সহ।
পশ্চিমবঙ্গের একটি চিড়িয়াখানায় একটি বাঘ খাবারের জন্য অপেক্ষা করছে, পেছনে লাল মাংসের প্রতীকী ছবি সহ।

চিড়িয়াখানার বাঘগুলো এখন মুরগির মাংসে চলছে, এমন প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করতে পারেন যারা প্রাণী সংরক্ষণ নিয়ে মাথা ঘামান।

পশ্চিমবঙ্গে বাঘের খাবারে সংকট ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গরু ও মহিষ জবাইয়ে কড়াকড়ি আরোপের পর চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কের মাংসাশী প্রাণীদের খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। জবাইয়ে নতুন নিয়ম আরোপের কারণে গরু-মহিষের মাংসের সরবরাহ কমে গেছে এবং দাম বেড়েছে। ফলে বাঘ, চিতাবাঘ ও কুমিরের মতো প্রাণীদের জন্য প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৫০০ কেজি মাংসের চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একটি প্রাপ্তবয়স্ক বাঘকে দৈনিক ৮ থেকে ১০ কেজি মাংস দেওয়া হয়।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুরগি বা শূকরের মাংস দিয়ে সারা বছর চালানো সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাঘের শারীরিক স্বাস্থ্য ও প্রাকৃতিক আচরণ বজায় রাখতে গরু বা মহিষের মাংস অপরিহার্য। আগে নকশালবাড়ি এলাকা থেকে মাংস সরবরাহ হতো, কিন্তু এখন সেখানে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

রাজ্য সরকার গরু জবাইয়ের জন্য কঠোর শর্ত আরোপ করেছে। অনুমতি ছাড়া জবাই নিষিদ্ধ এবং গরুর বয়স কমপক্ষে ১৪ বছর হতে হবে, যা কর্ম ও প্রজনন ক্ষমতাবিহীন হতে হবে। এ নিয়ম মাংস সরবরাহ আরও কমিয়ে দিয়েছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বিকল্প খাদ্য ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন প্রাণীদের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য নিয়ে।

তথ্য

  • পশ্চিমবঙ্গে গরু ও মহিষ জবাইয়ে কড়াকড়ি আরোপের কারণে চিড়িয়াখানার মাংসাশী প্রাণীদের মাংসের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
  • চিড়িয়াখানার একটি প্রাপ্তবয়স্ক বাঘকে দৈনিক ৮ থেকে ১০ কেজি মাংস দেওয়া হয়।
  • গরুর মাংসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এখন বাঘদের মুরগি, শূকর ও ছাগলের মাংস দেওয়া হচ্ছে।
  • রাজ্য সরকার গরু জবাইয়ের জন্য কঠোর শর্ত আরোপ করেছে, যার মধ্যে গরুর বয়স কমপক্ষে ১৪ বছর হতে হবে।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি