
ঐতিহাসিক স্থানগুলো এখন ডিজিটাল ভাষায় কথা বলছে। ইতিহাস ও প্রযুক্তির সংমিশ্রণে আগ্রহী বন্ধুদের সঙ্গে এই খবরটি ভাগ করে নেওয়া যায়।

প্রযুক্তি দিয়ে ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
থাই নগুয়েন প্রদেশে ঐতিহাসিক স্থানগুলো এখন ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনর্জীবিত হচ্ছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে লা ব্যাং কমিউনে প্রথম কমিউনিস্ট পার্টি শাখার স্থাপনের ঐতিহাসিক স্থানটি ডিজিটাইজ করা হয়, যেখানে ভিআর ৩৬০, স্বয়ংক্রিয় ধারাভাষ্য ও ইলেকট্রনিক তথ্য বোর্ড ব্যবহার করা হয়। এই প্রকল্প যুব ইউনিয়ন, সংস্কৃতি বিভাগ ও টেলিযোগাযোগ ইউনিটগুলোর সমন্বয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে।
প্রযুক্তির মাধ্যমে ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে প্রবেশের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। কিউআর কোড স্ক্যান করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে স্থানটির ইতিহাস, ছবি, ভিডিও ও ব্যাখ্যা দেখা যায়। এ পর্যন্ত ১৬টি স্থানে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও ৩৬০-ডিগ্রি ভিডিও প্রযুক্তি স্থাপন করা হয়েছে এবং ১০০টির বেশি স্থান ডিজিটাল মানচিত্রে চিহ্নিত করা হয়েছে। লাম ভি ও দিন হোয়ার মতো স্থানগুলোতে কিউআর কোড স্থাপন করা হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়াও ঐতিহাসিক তথ্য প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দাই তু কমিউনে ‘দাই তু - থাই নগুয়েন ইয়ুথ’ ফেসবুক ফ্যানপেজের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক ও পডকাস্টের মাধ্যমে ঐতিহাসিক গল্প প্রচার করা হয়। এগুলো তরুণদের মধ্যে ঐতিহাসিক শিকড়ের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তুলছে। প্রযুক্তি ও ডিজিটাল মাধ্যমের সমন্বয়ে ইতিহাস এখন আরও প্রাণবন্ত ও প্রাসঙ্গিক।
তথ্য
- ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে লা ব্যাং কমিউনে ঐতিহাসিক স্থানটি ডিজিটাইজ করার প্রকল্প চালু হয়।
- ১৬টি ঐতিহাসিক স্থানে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও ৩৬০-ডিগ্রি ভিডিও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
- ১০০টির বেশি ঐতিহাসিক স্থান ডিজিটাল মানচিত্রে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- লাম ভি ও দিন হোয়ার মতো স্থানে কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায়।
- দাই তু কমিউনে ফেসবুক ফ্যানপেজের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত ভিডিও ও পডকাস্টে ইতিহাস প্রচার করা হয়।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





