
রিলায়েন্সের বহুমুখী বিস্তার এখন শুধু তেল আর মোবাইল নয়, এর প্রেক্ষাপট একজন বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে বোঝার মতো।

জিও আইপিও আসছে, গ্রিন এনার্জি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে রিলায়েন্সের বড় পরিকল্পনা ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি ঘোষণা করেছেন যে তাদের ডিজিটাল শাখা জিও খুব শীঘ্রই শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হবে। আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম আইপিওগুলির মধ্যে একটি হবে। তবে বর্তমান শেয়ার বাজারের মন্দা পরিস্থিতির কারণে নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষিত হয়নি। এর পাশাপাশি রিলায়েন্স গুজরাটের জামনগরে একটি বৃহৎ গ্রিন এনার্জি কমপ্লেক্স গড়ে তুলছে। সেখানে উন্নত প্রযুক্তির ব্যাটারি স্টোরেজ প্রকল্প প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে উৎপাদন শুরু হবে। প্রাথমিক লক্ষ্য বছরে ৪০ গিগাওয়াট/আওয়ার থেকে শুরু করে ১০০ গিগাওয়াট/আওয়ার পর্যন্ত পৌঁছানো। আর ২০৩২ সালের মধ্যে বিশ্ববাজারের জন্য বছরে ৩ মিলিয়ন টন গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে কোম্পানির। এছাড়া, রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেডের মাধ্যমে চাল, ডাল, তেল এবং পানীয় জাতীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে প্রবেশ করেছে। গত এক বছরে কোম্পানির আয় দ্বিগুণ হয়ে ২২,০০০ কোটি টাকা ছুঁয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এটিকে বিশ্বমানের ব্র্যান্ডেড ভোক্তা পণ্য কোম্পানি হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
তথ্য
- মুকেশ আম্বানি জিও আইপিওর ইঙ্গিত দিয়েছেন, যার মূল্য প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।
- জামনগরে গ্রিন এনার্জি কমপ্লেক্সে ব্যাটারি স্টোরেজ প্রকল্প ২০২৬ এর দ্বিতীয়ার্ধে উৎপাদন শুরু করবে।
- রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টসের আয় গত এক বছরে দ্বিগুণ হয়ে ২২,০০০ কোটি টাকা ছুঁয়েছে।
- ২০৩২ সালের মধ্যে বছরে ৩ মিলিয়ন টন গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে রিলায়েন্সের।
- ২০৩০ সালের মধ্যে রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টসকে বিশ্বমানের ব্র্যান্ডেড কোম্পানি হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





