
গোয়েন্দা সংস্থার মূল তথ্য সত্ত্বেও যুদ্ধ শুরু হওয়া, এই প্রেক্ষাপট একজন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আগ্রহী সহকর্মীর সঙ্গে বোঝার মতো।

ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর আগে স্পষ্ট করেছিল যে তেহরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। তবু ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালায়। এই সিদ্ধান্তের পেছনে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের প্রভাব ও মার্কিন মিডিয়ার কিছু ব্যক্তির ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগ তোলেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী কেন্দ্রের সাবেক প্রধান জো কেন্ট।
কেন্ট অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রশাসনকে ভুলভাবে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল যাতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা হয়। তিনি বলেন, গোয়েন্দারা আগেই জানিয়েছিল যে হামলা হলে ইরান পাল্টা হামলা করবে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেবে, যা ঘটেছে। তিনি ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন।
হোয়াইট হাউস এসব অভিযোগ নাকচ করে বলেছে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শক্ত প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং ইরান আমেরিকানদের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। যুদ্ধবিরতি চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে, যার ফলে ইরানের অর্থনীতিতে প্রতিদিন ৪৫ কোটি ডলারের ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
তথ্য
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা চালায়।
- মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো হামলার আগে স্পষ্ট করেছিল যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না।
- জো কেন্ট, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী কেন্দ্রের সাবেক প্রধান, ১৭ মার্চ পদত্যাগ করেন যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে।
- ইরান পাল্টা হামলায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, যা আন্তর্জাতিক নৌপথে চাপ বাড়ায়।
- ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়, কিন্তু কোনো চুক্তি হয়নি।
- ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে, যার ফলে ইরানের অর্থনীতিতে প্রতিদিন ৪৫ কোটি ডলারের ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





