
হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে তেল পরিবহন ব্যাহত হলে জ্বালানির দাম আরও বাড়বে, বিষয়টি দেখা কোনো সহকর্মী বা বন্ধুর সঙ্গে বোঝার মতো প্রেক্ষাপট।

হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ ব্যাহত ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন করা হয়। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) এবং বিশ্বব্যাংক এক যৌথ বিবৃতিতে এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে যে পরিস্থিতি এভাবে থাকলে বৈশ্বিক তেলের মজুদ দ্রুত কমে যাবে এবং চাহিদার শীর্ষে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এর ফলে জ্বালানির দাম আরও বাড়বে, যা বিশেষ করে আমদানিনির্ভর নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এছাড়া, সার সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও চাপ বাড়ছে।
গত এপ্রিলে এই তিন সংস্থা সংকট মোকাবিলায় একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম গঠনের ঘোষণা দেয়। বাংলাদেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ অর্থনীতিগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রণালির স্থিতিশীলতা ফিরে না পেলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে।
তথ্য
- ২৯ মে ২০২৬-এ আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও আইইএ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণে বৈশ্বিক সংকটের সতর্কতা জারি করে।
- বিশ্বের প্রায় ২০% তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।
- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
- সংস্থাগুলো বলছে, তেলের মজুদ দ্রুত কমছে এবং চাহিদার শীর্ষে ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
- সার সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও চাপ বাড়ছে।
- বাংলাদেশ আইএমএফ-এর সঙ্গে নতুন আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





