ইলন মাস্ক স্পেসএক্স রকেটের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন, পটভূমিতে মহাকাশ এবং ট্রিলিয়ন ডলারের সংখ্যা ভাসছে।
ইলন মাস্ক স্পেসএক্স রকেটের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন, পটভূমিতে মহাকাশ এবং ট্রিলিয়ন ডলারের সংখ্যা ভাসছে।

মাস্কের সম্পদ এখন টেসলার চেয়ে বেশি নির্ভর করে স্পেসএক্স ও এআই-এর ওপর, এই প্রেক্ষাপট কোনো বন্ধু বা সহকর্মীর কাছে বোঝার মতো।

ইলন মাস্ক: প্রথম ট্রিলিয়নিয়ারের দোরগোড়ায় ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

ইলন মাস্ক শীঘ্রই পৃথিবীর প্রথম ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক হতে পারেন, মূলত তার মহাকাশ প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের আইপিও-এর মাধ্যমে। স্পেসএক্সের আইপিও নথি অনুযায়ী, মাস্কের শেয়ারের মূল্য কাগজে-কলমে প্রায় ৮৩০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। টেসলাতে তার মালিকানা আরও ২৯০ বিলিয়ন ডলারের, যা মিলিয়ে তার মোট সম্পদ ১.১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

স্পেসএক্স এখন শুধু মহাকাশ প্রকল্পই নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্টারলিংক নেটওয়ার্ক নিয়েও বড় বিনিয়োগ করছে। গত বছর কোম্পানিটির আয় ছিল ২৬ বিলিয়ন ডলার, যা অস্ট্রেলিয়ার একটি বড় ব্যাংকের চেয়েও বেশি। মাস্ক স্পেসএক্সের মাধ্যমে তার আয়ের মূল উৎস টেসলা থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্পেসএক্সের বাজার মূলধন আইপিও-এর পর ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত যেতে পারে। যদি তার ২০২৫-এর পুরস্কার চুক্তির লক্ষ্য অর্জিত হয়, তবে তার সম্পদ ৬ ট্রিলিয়ন ডলারেও পৌঁছাতে পারে, যা জার্মানি বা জাপানের জিডিপির সমান।

এই ধনীত্ব বৈশ্বিক বৈষম্য নিয়ে নতুন বিতর্ক তুলেছে। কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, এত ক্ষমতা একজন ব্যক্তির হাতে গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক। অন্যদিকে, সমর্থকরা এটিকে ঝুঁকি ও স্বপ্নের সাফল্য হিসেবে দেখেন।

তথ্য

  • ২০ মে ২০২৬ তারিখে স্পেসএক্স আইপিও নথি প্রকাশ করে।
  • স্পেসএক্সে মাস্কের শেয়ারের মূল্য কাগজে-কলমে ৮৩০ বিলিয়ন ডলার।
  • টেসলাতে মাস্কের মালিকানা প্রায় ২৯০ বিলিয়ন ডলার।
  • মাস্কের মোট সম্পদ কাগজে-কলমে ১.১ ট্রিলিয়ন ডলার।
  • স্পেসএক্সের গত বছরের আয় ছিল ২৬ বিলিয়ন ডলার।
  • বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্পেসএক্সের বাজার মূলধন আইপিও-এর পর ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি