
কার্ডের নিরাপত্তার নতুন প্রযুক্তি ও সচেতনতা নিয়ে আলোচনা, ব্যবহারকারীদের জন্য এটি দেখার মতো প্রেক্ষাপট।

ডিজিটাল জালিয়াতি রোধে নতুন প্রযুক্তি ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
বাংলাদেশে কার্ডভিত্তিক লেনদেন দ্রুত বাড়ছে, ২০২৫ সালের শেষে কার্ডের সংখ্যা ৫ কোটি ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে। লেনদেনের পরিমাণ ২০২১ এর তুলনায় ২০২৫ এ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই ডিজিটাল রূপান্তরের পাশাপাশি বাড়ছে সাইবার জালিয়াতির ঘটনা। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ থেকে তথ্য চুরি, ফিশিং লিংক, সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ওটিপি হাতিয়ে নেওয়া। এসব রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক মার্চ ২০২৬ এ নতুন নীতিমালা জারি করেছে। এতে কার্ড সচলকরণের আগে মাশুল নেওয়া নিষেধ, বকেয়া আদায়ে হয়রানি নিষিদ্ধ এবং সর্বোচ্চ সুদের হার ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রযুক্তির দিক থেকে, ইভিএম চিপ, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন এবং বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে লেনদেন নিরাপদ করতে। তবুও গ্রাহকদের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তথ্য
- ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশে কার্ডের সংখ্যা ৫ কোটি ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে।
- ২০২১ এর জানুয়ারি থেকে ২০২৫ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্ডে লেনদেন ২০,৬২৫ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৫০,০৪৪ কোটি টাকা হয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মার্চ ২০২৬ এ ক্রেডিট কার্ড নীতিমালা আপডেট করে সর্বোচ্চ সুদের হার ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে।
- ইভিএম চিপ প্রতি লেনদেনে নতুন গোপন কোড তৈরি করে, যা হ্যাকিং রোধে সাহায্য করে।
- কার্ড সচলকরণের আগে মাশুল নেওয়া এবং বকেয়া আদায়ে হয়রানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- অনলাইন লেনদেনে ওটিপি এবং বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





