একজন মহিলা হাতে মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলছেন, পেছনে মেডিকেল চার্ট ও ডিএনএ মডেল।
একজন মহিলা হাতে মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলছেন, পেছনে মেডিকেল চার্ট ও ডিএনএ মডেল।

কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এড়াতে পারবেন অনেকে, এই আশার কথা বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে।

স্তন ক্যান্সারে কেমোথেরাপি না নিয়েই সারতে পারবেন? ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

বিজ্ঞানীরা এমন একটি ডিএনএ পরীক্ষা উন্নত করেছেন যা স্তন ক্যান্সারের রোগীদের মধ্যে কেমোথেরাপির প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করতে পারে। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় ৪,০০০-এর বেশি রোগীর অংশগ্রহণ হয়েছিল। গবেষণায় 'প্রোসিগনা' নামক জিন পরীক্ষা ব্যবহার করা হয়, যা ৫০টি জিনের কার্যক্রম মাপে এবং রোগ ফিরে আসার ঝুঁকি নিরূপণ করে।

যাদের ঝুঁকি কম তাদের কেমোথেরাপি দেওয়া হয়নি। পাঁচ বছর পর এই গোষ্ঠীর বেঁচে থাকার হার ছিল ৯৩.৭%, যা কেমোথেরাপি নেওয়া রোগীদের চেয়ে মাত্র এক শতাংশ কম। এর ফলে প্রতি বছর যুক্তরাজ্যের এনএইচএসে ৫,০০০-এর বেশি রোগী কেমোথেরাপি এড়াতে পারবেন।

গবেষণাটি আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজির বার্ষিক সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে গবেষণা দল জানিয়েছে, ৪০ বছরের কম বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির কার্যকারিতা এখনও অনিশ্চিত। আরও কয়েক বছর লাগতে পারে এই তথ্য নিশ্চিত করতে।

তথ্য

  • ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় ৪,০০০-এর বেশি স্তন ক্যান্সার রোগী অংশ নেন।
  • প্রোসিগনা নামক ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে রোগীদের কেমোথেরাপির প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ করা হয়।
  • কম ঝুঁকির রোগীদের কেমোথেরাপি দেওয়া হয়নি, তাদের পাঁচ বছরের বেঁচে থাকার হার ছিল ৯৩.৭%।
  • কেমোথেরাপি নেওয়া রোগীদের বেঁচে থাকার হার ছিল ৯৪.৯%।
  • গবেষণার ফলাফল ২০২৬ সালের মে মাসে শিকাগোতে অনুষ্ঠিত আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজির সভায় উপস্থাপন করা হয়।
  • ৪০ বছরের কম বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির কার্যকারিতা এখনও নিশ্চিত নয়।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি