বাংলাদেশে ল্যাপটপ বাজারে উচ্চ কর ও অবৈধ আমদানির প্রভাব দেখানো একটি ইনফোগ্রাফিক প্যানেল
বাংলাদেশে ল্যাপটপ বাজারে উচ্চ কর ও অবৈধ আমদানির প্রভাব দেখানো একটি ইনফোগ্রাফিক প্যানেল

অবৈধ আমদানির বাজার বাড়ছে, সহজ মূল্যে ল্যাপটপ পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা, এই প্রেক্ষাপট একজন শিক্ষকের সঙ্গে বোঝার মতো।

উচ্চ করে ল্যাপটপ আমদানি কমেছে ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

বাংলাদেশে ল্যাপটপ ও কম্পিউটারের উপর উচ্চ কর আরোপ করা হয়েছিল স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে। কিন্তু বাস্তবে এটি বৈধ আমদানি কমিয়ে দিয়েছে এবং অবৈধ ও পুরোনো ল্যাপটপের বাজার সম্প্রসারণের পথ তৈরি করেছে। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি শহীদ উল মুনীর এ নীতির ব্যর্থতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ল্যাপটপ উৎপাদন বর্তমানে প্রায় অসম্ভব।

অবৈধ আমদানির ল্যাপটপগুলো সাধারণত ওয়ারেন্টি বা বিক্রয়োত্তর সেবা ছাড়াই বিক্রি হয়। পুরোনো ল্যাপটপ নতুন হিসেবে চালানো হচ্ছে, যা শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারদের মতো গ্রাহকদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। এর ফলে ডিজিটাল রূপান্তরের প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মুনীর আহ্বান জানান আইসিটি খাতে একটি পূর্ণাঙ্গ জরিপ চালানোর যাতে প্রকৃত চাহিদা ও জনবলের তথ্য পাওয়া যায়। তিনি বাজেটে ল্যাপটপের উপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার এবং শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ ফেরানোর দাবি করেন। প্রযুক্তি এখন মৌলিক চাহিদা, সাশ্রয়ী মূল্যে ল্যাপটপ প্রবেশাধিকার নতুন প্রজন্মের জন্য অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন।

তথ্য

  • বাংলাদেশে ল্যাপটপে উচ্চ কর আরোপের পর বৈধ আমদানি কমেছে এবং অবৈধ ও পুরোনো ল্যাপটপের বাজার বেড়েছে।
  • বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি শহীদ উল মুনীর বলেন, বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ল্যাপটপ উৎপাদন বর্তমানে প্রায় অসম্ভব।
  • অবৈধ পথে আসা ল্যাপটপগুলো সাধারণত ওয়ারেন্টি বা বিক্রয়োত্তর সেবা ছাড়াই বিক্রি হয়।
  • মুনীর আইসিটি খাতে একটি পূর্ণাঙ্গ জরিপ চালানোর পরামর্শ দেন এবং ২০২৬-২৭ বাজেটে ল্যাপটপের উপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি করেন।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি