
এআই-চালিত সম্পদ বৃদ্ধির এই ধারা, প্রযুক্তি নিয়ে আগ্রহী কোনো বন্ধুর সঙ্গে মিলিয়ে দেখার মতো প্রেক্ষাপট।

ধনীদের সম্পত্তি বাড়ছে হু হু করে, কারণ কী? ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
২০২৬ সালে বিশ্বের বিলিয়নিয়ারদের সংখ্যা রেকর্ড ৩,৪২৮ জনে উঠেছে, যা ২০২৫ এর চেয়ে ৪০০ বেশি। তাদের মোট সম্পদ এখন ২০.১ ট্রিলিয়ন ডলার, গত বছরের চেয়ে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার বেশি। এই বৃদ্ধির পেছনে কাজ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), চাঙা শেয়ারবাজার এবং অনুকূল আর্থিক নীতি। যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে সবচেয়ে বেশি বিলিয়নিয়ার—৯৮৯ জন, এরপর চীন ও হংকংয়ে ৬১০ জন এবং ভারতে ২২৯ জন।
শীর্ষ ধনীদের মধ্যে ইলন মাস্ক এগিয়ে, যার সম্পত্তি এখন ৮৩৯ বিলিয়ন ডলার। ল্যারি পেজ, সের্গেই ব্রিন, জেফ বেজোস, মার্ক জাকারবার্গ, ল্যারি এলিসন, বার্নার্ড আর্নল্ট, জেনসেন হুয়াং, ওয়ারেন বাফেট এবং আমানসিও ওর্তেগাও রয়েছেন তালিকার শীর্ষে। এনভিডিয়ার মতো এআই-কেন্দ্রিক কোম্পানির বাজারমূল্য ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা প্রাথমিক বিনিয়োগকারীদের বিপুল লাভ এনে দিয়েছে।
প্রযুক্তির প্রতিটি নতুন ঢেউ—সফটওয়্যার, ইন্টারনেট, সামাজিক মাধ্যম এবং এখন এআই—সম্পদ গঠনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। যারা এআইকে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি কাজে লাগাবে, তাদের সম্পদ আরও দ্রুত বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এআইয়ের মাধ্যমে সম্পদ তৈরির এই নতুন যুগ এখনো শেষ হয়নি।
তথ্য
- ২০২৬ সালে বিশ্বের বিলিয়নিয়ারদের সংখ্যা রেকর্ড ৩,৪২৮ জন, যা ২০২৫ এর চেয়ে ৪০০ বেশি
- বিলিয়নিয়ারদের মোট সম্পদ ২০.১ ট্রিলিয়ন ডলার, গত বছরের চেয়ে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার বেশি
- ইলন মাস্কের সম্পত্তি ৮৩৯ বিলিয়ন ডলার, গত বছর ৩৪২ বিলিয়ন ডলার ছিল
- যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড ৯৮৯ জন বিলিয়নিয়ার, চীন ও হংকংয়ে ৬১০ জন
- এনভিডিয়ার বাজারমূল্য ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





