ঢাকার সড়কে ট্রাফিক সিগন্যালের পাশে এআই ক্যামেরা লাগানো, লাল বাতি লঙ্ঘন করা গাড়ি ধরা পড়ছে।
ঢাকার সড়কে ট্রাফিক সিগন্যালের পাশে এআই ক্যামেরা লাগানো, লাল বাতি লঙ্ঘন করা গাড়ি ধরা পড়ছে।

এআই ক্যামেরা ট্রাফিক নিয়ম মানার দিকে ঠেলছে, ঢাকার যাত্রী ও চালকদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট।

ঢাকায় এআই ট্রাফিক ক্যামেরা চালু ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি চালু হয়েছে। গত ৭ মে থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া এই ব্যবস্থায় ট্রাফিক সিগন্যালের সঙ্গে এআই ক্যামেরা সংযুক্ত করা হয়েছে, যা লাল বাতি লঙ্ঘন, উল্টো পথে যাত্রা, হেলমেট না পরা, সিটবেল্ট না বাঁধা এবং মোবাইল ব্যবহারসহ বিভিন্ন নিয়ম ভাঙার ভিডিও ও ছবি ধারণ করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারে মামলা তৈরি হয় এবং গাড়ির নাম্বার প্লেট বিশ্লেষণ করে মালিকের ঠিকানায় জরিমানার নোটিশ পাঠানো হয়। প্রথম দুই সপ্তাহে তিন হাজারের বেশি নিয়ম ভাঙার ঘটনা ধরা পড়েছে এবং চারশ থেকে পাঁচশ মামলার নোটিশ ইতিমধ্যে প্রেরিত হয়েছে। এই প্রযুক্তি চালকদের মধ্যে আইন মানার বাধ্যবাধকতা তৈরি করছে, যা আগে ছিল না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। আগামী ছয় মাসে ৬০টি এবং এক বছরে ১২০টি ট্রাফিক পয়েন্ট এই প্রযুক্তির আওতায় আনা হবে, দীর্ঘমেয়াদে ৫০০টি জংশন কভার করার লক্ষ্য রয়েছে।

তথ্য

  • গত ৭ মে ২০২৬ থেকে ঢাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এআই প্রযুক্তি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়।
  • এআই ক্যামেরা লাল বাতি লঙ্ঘন, হেলমেট না পরা, সিটবেল্ট না বাঁধা এবং মোবাইল ব্যবহার ধরতে পারে।
  • প্রথম দুই সপ্তাহে তিন হাজারের বেশি ট্রাফিক বিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়ে।
  • চারশ থেকে পাঁচশ মামলার নোটিশ ইতিমধ্যে প্রেরিত হয়েছে।
  • আগামী ছয় মাসে ৬০টি এবং এক বছরে ১২০টি ট্রাফিক পয়েন্ট এআই ক্যামেরার আওতায় আসবে।
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি