ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উ মিন অং হ্লাইং এক ঔপচারিক বৈঠকে উপস্থিত।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উ মিন অং হ্লাইং এক ঔপচারিক বৈঠকে উপস্থিত।

নিরাপত্তা ও অবৈধ কার্যকলাপ রোধে ঐকমত্য, বিষয়টি দেখা কোনো সহকর্মীর সঙ্গে বোঝার মতো প্রেক্ষাপট।

মোদি-মিন অং হ্লাইং বৈঠকে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উ মিন অং হ্লাইং এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক প্রকল্প ত্বরান্বিত করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। বৈঠকে মিয়ানমার স্পষ্ট করেছে যে, ভারতের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কোনো কর্মকাণ্ডে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করা হবে না। ভারত আবার মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।

দুই দেশ নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদারের পাশাপাশি কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প এবং ভারত-মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ত্রিপাক্ষিক মহাসড়কের কাজ দ্রুত শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এগুলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভারতের যোগাযোগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি জানিয়েছেন, এই যোগাযোগ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নয়, বরং কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার অংশ। মোদি মিয়ানমারকে ভারতের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন এবং মিয়ানমারের শান্তি প্রক্রিয়ায় সব পক্ষের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

তথ্য

  • ২ জুন, ২০২৬ তারিখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উ মিন অং হ্লাইং বৈঠক করেন।
  • মিয়ানমার আশ্বাস দেয় যে, ভারতের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কোনো কর্মকাণ্ডে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করা হবে না।
  • দুই দেশ কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প এবং ভারত-মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ত্রিপাক্ষিক মহাসড়ক ত্বরান্বিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
  • মোদি মিয়ানমারকে ভারতের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।
  • ভারত মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি