
এলএনজির দাম বাড়ায় এশিয়ায় কয়লার ফিরে আসা, বিদ্যুৎ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকা সহকর্মীদের জন্য প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট।

এলএনজির দাম ৬২% বেড়েছে ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে, যার ফলে এলএনজির দাম গত কয়েক মাসে প্রায় ৬২% বেড়েছে। এই অস্থিতিশীল সরবরাহ ও উচ্চ মূল্যের কারণে এশিয়ার প্রধান অর্থনীতি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনাম বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার বাড়িয়েছে। এলএনজি আমদানির উপর নির্ভরশীল এই দেশগুলো জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে আবার সক্রিয় করছে।
gas-চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কমানোর পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে। জাপানে ২০২৬ সালের এপ্রিলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১.১% বেড়েছে, অন্যদিকে গ্যাসভিত্তিক উৎপাদন ১২.৯% কমেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় কয়লাভিত্তিক উৎপাদন ৩৯.৭% বেড়েছে, যা ২০১৯ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ। ভিয়েতনামও এপ্রিল ২০২৬-এ ১৭,৮৬৪ গিগাওয়াট-ঘণ্টা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যা গত বছরের চেয়ে ১২.৩% বেশি।
বিশ্লেষকদের মতে, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের এলএনজি রপ্তানি ক্ষমতা প্রায় ১৭% ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ চাপ বজায় আছে। এই পরিস্থিতিতে এশিয়ার দেশগুলো গ্রীষ্মকালীন চাহিদা মোকাবিলায় কয়লাকে স্থিতিশীল বিকল্প হিসেবে দেখছে। চীন ও ভারত বাদে এশিয়ার দেশগুলো মে ২০২৬-এ প্রায় ৩১ মিলিয়ন টন তাপীয় কয়লা আমদানি করবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে, যা গত বছরের চেয়ে ৯.৪% বেশি।
তথ্য
- মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে এলএনজির দাম ৬২% বেড়েছে।
- জাপানে ২০২৬ সালের এপ্রিলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১.১% বেড়েছে, গ্যাসভিত্তিক উৎপাদন ১২.৯% কমেছে।
- দক্ষিণ কোরিয়ায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০১৯ সালের পর সর্বোচ্চ ৩৯.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ভিয়েতনাম ২০২৬ সালের এপ্রিলে ১৭,৮৬৪ গিগাওয়াট-ঘণ্টা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যা গত বছরের চেয়ে ১২.৩% বেশি।
- কাতারের এলএনজি রপ্তানি ক্ষমতার প্রায় ১৭% সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
- চীন ও ভারত বাদে এশিয়ার দেশগুলো মে ২০২৬-এ প্রায় ৩১ মিলিয়ন টন তাপীয় কয়লা আমদানি করবে বলে পূর্বাভাস।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





