গুগল পিক্সেল ১১ সিরিজের মডেলগুলোর রেন্ডার দেখানো হচ্ছে, যার মধ্যে একটি ভাঁজযোগ্য ফোন রয়েছে।
গুগল পিক্সেল ১১ সিরিজের মডেলগুলোর রেন্ডার দেখানো হচ্ছে, যার মধ্যে একটি ভাঁজযোগ্য ফোন রয়েছে।

পিক্সেল ১১ সিরিজে ভাঁজযোগ্য ফোনের অপেক্ষা, প্রযুক্তি আপডেট নিয়ে আগ্রহী বন্ধুর সঙ্গে দেখার মতো প্রেক্ষাপট।

আসছে গুগল পিক্সেল ১১ সিরিজ ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

গুগল তার পরবর্তী পিক্সেল সিরিজ নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে। ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে বাজারে আসতে পারে পিক্সেল ১১ সিরিজ। এই সিরিজে চারটি মডেল থাকতে পারে—পিক্সেল ১১, পিক্সেল ১১ প্রো, পিক্সেল ১১ প্রো এক্সএল এবং পিক্সেল ১১ প্রো ফোল্ড। সব মডেলে ব্যবহৃত হবে নতুন প্রজন্মের টেনসর জি৬ চিপসেট, যা ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি। এটি ফোনের পারফরম্যান্স ও ব্যাটারি দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।

পিক্সেল ১১ বেস মডেলে থাকবে ৬.৩ ইঞ্চির ওএলইডি ডিসপ্লে, ৬০-১২০ হার্টজ পরিবর্তনশীল রিফ্রেশ রেট, ৮ বা ১২ জিবি র‍্যাম এবং প্রায় ৪,৮৪০ এমএএইচ ব্যাটারি। ক্যামেরায় থাকবে ৫০ মেগাপিক্সেলের সেন্সর। পিক্সেল ১১ প্রো এবং প্রো এক্সএলে থাকবে ১-১২০ হার্টজ ডায়নামিক রিফ্রেশ রেট এবং উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম। প্রো এক্সএল-এ থাকবে ৬.৮ ইঞ্চির ডিসপ্লে এবং প্রায় ৫,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি।

সবচেয়ে আলাদা মডেল হবে পিক্সেল ১১ প্রো ফোল্ড। এটি হবে গুগলের প্রথম ভাঁজযোগ্য ফোন। এতে ভেতরে বড় স্ক্রিন এবং বাইরে আলাদা ডিসপ্লে থাকবে। এতে ১২ বা ১৬ জিবি র‍্যাম এবং প্রায় ৪,৬৫৮ এমএএইচ ব্যাটারি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবে প্রযুক্তি প্রেমীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

তথ্য

  • পিক্সেল ১১ সিরিজ ২০২৬ সালের আগস্টে বাজারে আসতে পারে।
  • চারটি মডেল থাকতে পারে: পিক্সেল ১১, পিক্সেল ১১ প্রো, পিক্সেল ১১ প্রো এক্সএল এবং পিক্সেল ১১ প্রো ফোল্ড।
  • সব মডেলে থাকবে টেনসর জি৬ চিপসেট, যা ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি।
  • পিক্সেল ১১ বেস মডেলে থাকবে ৬.৩ ইঞ্চি ওএলইডি ডিসপ্লে এবং ৪,৮৪০ এমএএইচ ব্যাটারি।
  • পিক্সেল ১১ প্রো ফোল্ড হবে গুগলের প্রথম ভাঁজযোগ্য ফোন।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি