কলকাতার ইম্পা অফিসে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন পিয়া সেনগুপ্ত, পৃষ্ঠে পুলিশ উপস্থিত।
কলকাতার ইম্পা অফিসে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন পিয়া সেনগুপ্ত, পৃষ্ঠে পুলিশ উপস্থিত।

বাংলা সিনেমার সংগঠনে গভীর দ্বন্দ্বের এই ঘটনা, বিষয়টি দেখা কোনো সহকর্মী বা সিনেমা অনুরাগীর সঙ্গে বোঝার মতো প্রেক্ষাপট।

ইম্পায় বিশৃঙ্খলা: পিয়া সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে 'ফাইল চোর' স্লোগান ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

কলকাতায় বাংলা চলচ্চিত্রের সংগঠন ইম্পার অফিসে শুক্রবার গভীর বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ ও পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান কয়েকজন প্রযোজক-পরিবেশক। বৈঠকের মধ্যেই তাঁকে 'ফাইল চোর' বলে স্লোগান দেওয়া হয়। উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে পিয়া সেনগুপ্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

eকদিন ধরে চলা মিটিংয়ের পর পিয়া সেনগুপ্ত পদত্যাগের দাবি নিয়ে চাপ বাড়ছিল। তাঁর মেয়াদ আগামী ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু বিরোধী পক্ষের দাবি, তাঁর নেতৃত্বে সংস্থার কাজকর্ম স্তব্ধ। বৈঠকে তাঁকে অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন পিয়া। তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানান।

eবংশ পক্ষের মধ্যে অন্যতম প্রযোজক শতদীপ সাহা বলেন, পিয়া বারবার বৈঠক ছেড়ে উঠে যাচ্ছিলেন। শেষবার কয়েকটি ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যান। পুলিশের উপস্থিতিতে পরে আবার মিটিং শুরু হয়। সদস্যরা ধ্বনিভোটে রতন সাহাকে অস্থায়ী সভাপতি ঘোষণা করেন। কিন্তু পিয়া সেনগুপ্ত এটি মানতে অস্বীকার করেন এবং আইনি লড়াইয়ের কথা ঘোষণা করেন।

তথ্য

  • 2026 সালের 22 মে, কলকাতায় ইম্পা অফিসে পিয়া সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়।
  • বিক্ষোভকারীরা তাঁকে 'ফাইল চোর' বলে স্লোগান দেয়।
  • বৈঠকের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পিয়া সেনগুপ্তকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
  • পুলিশের উপস্থিতিতে বৈঠক চলাকালীন সদস্যরা রতন সাহাকে অস্থায়ী সভাপতি ঘোষণা করেন।
  • পিয়া সেনগুপ্ত আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দেন এবং পদত্যাগ না করার কথা জানান।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি