
চীন-রাশিয়ার নতুন চুক্তিগুলো বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও জ্বালানি নিরাপত্তার দিক থেকে স্পষ্ট প্রেক্ষাপট, বিষয়টি অনুসরণকারী কোনো সহকর্মীর সঙ্গে বোঝার মতো।

জিনপিং-পুতিনের ২০ চুক্তি ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০২৬ সালের ২০ মে বেইজিংয়ে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর ২০টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তি, জ্বালানি, বাণিজ্য, গণমাধ্যম এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করবে। ক্রেমলিন জানিয়েছে, মোট ৪০টি চুক্তির আলোচনা হয়েছিল, তবে প্রথম দফায় ২০টি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাকি চুক্তিগুলো পরে ঘোষণা করা হবে।
duই নেতা একটি যৌথ ঘোষণাপত্রও প্রকাশ করবেন, যেখানে বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থা এবং চীন-রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন রূপরেখা তুলে ধরা হবে। শি জিনপিং বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক সর্বোচ্চ স্তরের কৌশলগত অংশীদারিত্বে পৌঁছেছে। তিনি এআই ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
রাশিয়া চীনে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল ও গ্যাস সরবরাহ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি জানিয়েছে। পুতিন বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য বহিরাগত প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকবে। চীন বিশ্বের প্রযুক্তি খাতে বিরল খনিজের প্রধান উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রযুক্তি নেতাদের নিয়ে চীন সফর করলেও কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি।
তথ্য
- ২০২৬ সালের ২০ মে চীনের বেইজিংয়ে শি জিনপিং ও পুতিন ২০টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- চুক্তিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি, জ্বালানি, বাণিজ্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষাকে কেন্দ্র করে।
- রাশিয়া চীনে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল ও গ্যাস সরবরাহ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি জানিয়েছে।
- চীন বিশ্বের প্রযুক্তি খাতে বিরল খনিজের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করছে।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চীন সফরে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





