চীনের আকাশে উড়ন্ত উইন্ড টারবাইন, যা ড্রোনের মতো দেখতে, নীচে মাঠ ও পাহাড় দৃশ্যমান।
চীনের আকাশে উড়ন্ত উইন্ড টারবাইন, যা ড্রোনের মতো দেখতে, নীচে মাঠ ও পাহাড় দৃশ্যমান।

উচ্চ আকাশে বাতাসের স্থায়িত্ব কাজে লাগিয়ে দিন-রাত বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবেশবিদদের কাছে এটি গ্রিন এনার্জির এক নতুন সম্ভাবনা।

আকাশে উড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনের টারবাইন ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

চীন বাতাসের গতি ও স্থায়িত্ব কাজে লাগিয়ে আকাশে উড়ন্ত টারবাইন ব্যবহার করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। এই ফ্লাইং টারবাইন ভূপৃষ্ঠের চেয়ে উঁচুতে অবস্থিত বাতাসের সুবিধা নিচ্ছে, যেখানে বাতাস দিন-রাত স্থির গতিতে বয়। এর ফলে সাধারণ উইন্ড মিলের চেয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ প্রায় ১০ গুণ কম হবে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এই প্রযুক্তির মূল সুবিধা হলো বিশাল টাওয়ার বা জমির প্রয়োজন নেই। ড্রোনের মতো উড়ন্ত এই টারবাইনগুলো পরিবহন ও স্থাপনে সহজ এবং সাশ্রয়ী। একটি ফ্লাইং টারবাইন ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম, যা দিন-রাত চালু থাকে।

পরিবেশবিদরা এটিকে গ্রিন এনার্জির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। এটি কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং দুর্গম অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষকদের আশা, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।

তথ্য

  • চীনে আকাশে উড়ন্ত ফ্লাইং টারবাইন ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।
  • ফ্লাইং টারবাইন থেকে ১ মেগাওয়াট নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
  • এই প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ সাধারণ উইন্ড মিলের চেয়ে ১০ গুণ কম হবে বলে দাবি।
  • উচ্চ আকাশে বাতাসের গতি ও স্থায়িত্ব কাজে লাগানো হচ্ছে।
  • পরিবেশবিদরা এটিকে গ্রিন এনার্জির ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি