চীনের একটি আধুনিক বৈদ্যুতিক গাড়ি কারখানার ভিতরের দৃশ্য, যেখানে রোবট স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ি মাউন্ট করছে।
চীনের একটি আধুনিক বৈদ্যুতিক গাড়ি কারখানার ভিতরের দৃশ্য, যেখানে রোবট স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ি মাউন্ট করছে।

চীনের গাড়ি শিল্পে প্রযুক্তি ও উৎপাদনের গতি বুঝতে পারছেন এমন কোনো সহকর্মীর সঙ্গে প্রেক্ষাপটটি মিলিয়ে দেখা যেতে পারে।

চীনের সঙ্গে পাল্লা দিতে হিমশিম বিশ্বের গাড়ি নির্মাতারা ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্প এখন বিশ্ববাজারে তার প্রভাব বিস্তার করছে। সরকারি ভর্তুকি, দ্রুত উৎপাদন, কম খরচ এবং প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে চীনা কোম্পানিগুলো ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ায় দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে। বিশেষ করে শাওমি, বিওয়াইডি ও এক্সপেংয়ের মতো প্রতিষ্ঠান গাড়ি থেকে শুরু করে রোবটিক্স ও উড়ন্ত গাড়ি পর্যন্ত কাজ করছে। এদিকে পশ্চিমা গাড়ি নির্মাতারা চাপে পড়েছে। ফোর্ড, হোন্ডা, ফক্সওয়াগেন ও জিএম-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো চীনের বাজারে তাদের অংশীদারিত্ব হারাচ্ছে। ২০২০ সালে চীনের বাজারে বিদেশি ব্র্যান্ডের অংশ ছিল ৬৪%, যা ২০২৬ সালে নেমে এসেছে ৩২% এ। চীনা কোম্পানিগুলো এখন শুধু ঘরোয়া বাজারেই নয়, বৈদ্যুতিক গাড়ি রপ্তানিতেও এগিয়ে। ইউরোপে বিওয়াইডি ও চেরির মতো ব্র্যান্ডগুলো দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শুল্কের কারণে চীনা গাড়ির প্রবেশ কঠিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাড়ি শিল্পের কেন্দ্র ক্রমেই চীনের দিকে সরে যাচ্ছে। পশ্চিমা নির্মাতারা এখন চীনা প্রযুক্তি ও নকশার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। সহযোগিতা ছাড়া টিকে থাকা কঠিন হচ্ছে।

তথ্য

  • ২০২০ সালে চীনের গাড়ি বাজারে বিদেশি ব্র্যান্ডের অংশ ছিল ৬৪%, যা ২০২৬ সালে নেমে এসেছে ৩২% এ।
  • শাওমির ইভি কারখানায় প্রতি ৭৬ সেকেন্ডে একটি গাড়ি উৎপাদিত হয়।
  • বিওয়াইডি এমন চার্জিং প্রযুক্তি তৈরি করেছে যা ৫ মিনিটে ৪০০ কিমি চলার মতো চার্জ দেয়।
  • ফক্সওয়াগেন চীনের এক্সপেংয়ের সঙ্গে ৭০ কোটি ডলার বিনিয়োগের চুক্তি করেছে।
  • চেরির জাইকু ৭ মডেল যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত নতুন গাড়িগুলোর একটি।
  • চীন ২০১৬ সালে ১৬৩টি পণ্যের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক ছিল, ২০২৬ সালে তা বেড়ে ৩১৫টি হয়েছে।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি