
মাত্রা ৩.৪-এর ভূমিকম্প স্বল্প, তবু ঢাকার অনেক মানুষ অনুভব করেছেন, এটি দেখার প্রেক্ষাপট একজন সহকর্মীর সঙ্গে ভাগ করার মতো।

ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে মঙ্গলবার দুপুরে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র জানিয়েছে, এটি হয়েছে বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩.৪। উৎপত্রিস্থল চিহ্নিত করা হয়েছে ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকায়। এটি স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প হলেও রাজধানী ঢাকাসহ অনেক জায়গার মানুষ এটি অনুভব করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। তাই মাঝেমধ্যে ভূমিকম্প হওয়া স্বাভাবিক। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, সম্প্রতি দেশের ভিতরেই ভূমিকম্পের উৎপত্তি বাড়ছে। আগে যে এলাকাগুলো কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হতো, বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, সেখানেও এখন ভূমিকম্পের মাত্রা বাড়ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ধরনের স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্পে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে ভবিষ্যতে বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকি থাকায় প্রস্তুতি ও সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তন ও নগরায়নের চাপ এসব ঘটনার ঘনত্ব বাড়াতে পারে।
তথ্য
- ২০২৬ সালের ২৬ মে, বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়
- রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৪
- উৎপত্তিস্থল চিহ্নিত করা হয়েছে ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকায়
- আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুবাইয়াৎ কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন
- বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা বাড়ছে
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





